রবিবারোয়ারি (এই সময়), ১২ মার্চ ২০২৩
'...এর পিছনে রয়েছে স্থানীয় কানাঘুষো, আর একটা মন্দির। সেই মন্দিরে অধিষ্ঠিত দেবতাটিকেই দেখতে যাওয়া। শুনতে যাওয়া তাঁর গল্প। যে-সে দেবতা নন তিনি, স্বয়ং বাবা কাঁকড়াবিছে। দর্শন পাওয়া তো দূরের কথা, নামটুকুও শুনিনি আগে। অবশ্য কলকাতায় বসে কতটুকুই-বা জানতে পারি বাংলাকে! ওই যে শিলাই নদীর পুল, ওটি যেন দেবভূমির দ্বার। সেটি পেরিয়ে কিলোমিটার দুয়েক যাওয়া। যাকেই জিজ্ঞেস করি, মুখে ফুটে ওঠে শ্রদ্ধাভাব। এত দূর থেকে কাঁকড়াবিছের মন্দির দেখতে এসেছে, না-জানি কত শ্রদ্ধাবান এরা!
এদিকে আমি তো জানি, শ্রদ্ধা-টদ্ধা নয়, বিশুদ্ধ কৌতূহলে ভর করেই হাজির হয়েছি এখানে। বাংলা তথা ভারতের সংস্কৃতিতে অনাদিকাল থেকেই গাছপালা-পশুপাখি-সরীসৃপ-কীটপতঙ্গদের পূজা করা হয়েছে। কখনো কোনো দেবতাকে প্রতীক করে, কখনো আবার সরাসরিই। কাঁকড়াবিছে পূজার কথাও যে শুনিনি আগে, তা নয়। দক্ষিণ ভারতে দেবজ্ঞানে পূজিত হয় তারা, রয়েছে মন্দিরও। কিন্তু বাংলার বুকে তাদের নামে আস্ত মন্দির—না-দেখে ফিরে গেলে, আফসোস কুরে-কুরে খেত সারাজীবন। কোন ইতিহাস লুকিয়ে এর পিছনে?'
Read full Article Online in Ei samay:
প্রথম পাতা, দ্বিতীয় পাতা

.jpg)
