'গঙ্গা-তীরবর্তী জনপদ' গ্রন্থের আলোচনা
'মৃতের কঙ্কাল নয়। ইতিহাস, বর্তমানের মতোই জীবন্ত এবং সত্য। সেই সত্যের সন্ধানে রত
হওয়ার জ্বালানি হিসেবে, বাঙালির ইতিহাস
প্রণেতা নীহাররঞ্জন রায় জ্ঞানস্পৃহাকে একক কৃতিত্ব দেননি। বরং তাঁর কাছে অনেক বেশি
গুরুত্ব পেয়েছিল প্রাণের আবেগ। স্বভূমি-স্বদেশকে ভালোবাসাই তাঁকে ঠেলে দিয়েছিল
জ্ঞানের পথে। বাঙালির ইতিহাসের যুক্তিগ্রাহ্য কাঠামো নির্মাণ করতে নেমে, তিনি পূর্ববর্তী সমস্ত যুক্তিই যাচাই করেছিলেন, এবং যোগ করেছিলেন তাঁর পর্যবেক্ষণ এবং মন্তব্য; তবে, সেখানেই বন্ধনী শেষ
করে তিনি ইতিহাসের পথ রুদ্ধ করে দেননি। অর্থাৎ, শেষ কথা বলে যে কিছু নেই, তাই-ই আসলে খুলে
দেয় ভবিষ্যৎ গবেষকদের চলার পথ, জোগায় পাথেয়।
নীহাররঞ্জন তাঁর সেই ব্যাপ্ত কর্মের উদ্দেশ্যটিকে স্পষ্ট করে দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, তাঁর এই সন্ধান ‘দেশকে আরও
গভীর আরও নিবিড় করিয়া পাইবার উদ্দেশ্যে’। ইতিহাসের
চর্চা তাই এক অর্থে স্বদেশব্রত। সমসময়ের কোনও লেখক যখন একই রকম আগ্রহে তাঁর ইতিহাস, জনপদের দিকে ফিরে তাকান, তখন বোঝা যায় তিনিও বুঝে নিতে চাইছেন তাঁর দেশ, জন্মভূমিকে। তন্ময় ভট্টাচার্যের ‘বাংলার
কাব্য ও মানচিত্রে উত্তর চব্বিশ পরগনা ও হুগলি জেলার গঙ্গা-তীরবর্তী জনপদ’ সেই অর্থে দেশচর্চার একটি নতুন বই, নতুন আঙ্গিকের বই।'...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন - ভেসে যায় ভেলা ইতিহাস ছুঁয়ে ছুঁয়ে
আলোচক - সরোজ দরবার
