আউলচাঁদ, ভগবানিয়া ও বাংলার অন্তর্লীন প্রেম-সংস্কৃতি
ভোর পেরিয়ে, সকাল হয়েছে খানিকক্ষণ হল। কুয়াশা অবশ্য কাটেনি পুরোপুরি। শীতের আলতো হাজিরা—গা শিরশির করে ওঠে থেকে-থেকেই। দোলের সেই তরুণ সকালে, ঘুরে-ঘুরে শ্মশানের সবাইকে আবির মাখাচ্ছেন বালকনাথ। পরিচয়—তিনি অঘোরী সন্ন্যাসী। বয়স খুব বেশি না, তিরিশের আশেপাশেই। কালো কাপড় জড়ানো শরীরে, মাথায় জটা। সারারাত এর-ওর-তার থেকে চেয়ে-চেয়ে গঞ্জিকাসেবন করেছেন। কখনো-সখনো মদও। কেউ মুখঝামটা দিলেও, হাসিটি অমলিন। ভাঙা-ভাঙা হিন্দিতে কথার ফুলকি, মাঝেমধ্যে গালাগালিও। একসময় এসে দাঁড়ালেন আমার সামনেও। শ্মশানে, শশীতরুর নিচেই বসে ছিলাম। আমার কপালে আবিরের ফোঁটা এঁকে, এগিয়ে গেলেন খানিক দূরে আরেক সন্ন্যাসীর দিকে, গত রাতে ছিলিমের ভাগ পাওয়া নিয়ে যাঁর সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয়েছিল তাঁর।...
.jpeg)