বিটি রোডের ‘জন্ম’, শৈশব-কৈশোর ও অন্যান্য
‘…সুদীর্ঘ বি,টি, রোডের উপর লোকের ভিড় লেগে আছে। কলকারখানার ছুটির ভিড়। সারা বাংলার বৃহত্তম শিল্পকেন্দ্র এই বি,টি, রোড।’—লিখেছিলেন সমরেশ বসু, তাঁর উপন্যাসে। বিংশ শতকের প্রেক্ষিতে এই দৃশ্য অত্যন্ত বাস্তবসম্মত। শুধু বিটি রোডই(BT Road) নয়, হুগলি নদীর তীর এমনকী রেলপথের পাশেও কলকারখানার কমতি ছিল না (সেসবের কিছু আজও সচল, কিছু ধুঁকছে, অধিকাংশই মৃত)। তবে এই শিল্পায়নের শুরু মূলত উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে। উনিশ শতকের প্রথমার্ধের মানচিত্রে(Map) (চার্লস জোসেফ, ১৮৪১) বিটি রোডের ধারে কোনও কলকারখানা দেখা যায় না। সেকালে শিল্পগুলি কেন্দ্রীভূত হত মূলত হুগলি(Hooghly) নদীর ধারে। ১৮৬২ সালে শিয়ালদহ থেকে রেলপথ চালু হওয়ার পর যাতায়াত-ব্যবস্থা সুগম হয় আরও। জোয়ার আসে শিল্পেরও।
তবে এ-নিবন্ধ বিটি রোড-কেন্দ্রিক শিল্পবিস্তারের নয়। বরং রাস্তাটির গোড়ার দিনগুলিতে উঁকি দেবে এ-লেখা। আজকের মলিনতার সঙ্গে তুলনা করবে সেকালের সৌন্দর্যের। হয়তো দু-একটা দীর্ঘশ্বাসও জন্ম নেবে, ভেতরে-ভেতরে…
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন এই লিঙ্কে - banglalive.com
