বাংলা কবিতায় বাঘ ইতিমধ্যেই চিরস্থায়ী
সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী, সুন্দরবনের পশ্চিমবঙ্গীয় পরিসরে ১০১টি বাঘের বাস। এই সংখ্যা আনন্দের না বিষাদের, তা ব্যাঘ্রপ্রেমীরা বলতে পারবেন। তবে কবিতায় বাঘের উপস্থিতি তাঁদের স্বস্তি দিতে পারে। জাগতিক বাঘ জন্ম-মৃত্যু চক্রের অধীন, কিন্তু সাহিত্যে ‘বন্দি’ হয়ে গেলে সেই বাঘই অমরত্ব লাভ করে। কবিতার সূত্রে এমন বাঘের সংখ্যা অগুনতি। বাংলাভাষায় তো বটেই।
শুধু আধুনিক কবিতাই নয়, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাংলা সাহিত্যে ফিরে-ফিরে এসেছে বাঘ। বাঙালির এই ব্যাঘ্র-উল্লেখের উৎস ভাবতে বসলে, উভয়ের সহাবস্থানই ফুটে ওঠে মূল কারণ হিসেবে। আজ ভৌগোলিকভাবে সুন্দরবনে সীমায়িত হলেও, এককালে অরণ্যসংকুল বঙ্গদেশে বাঘের অভাব ছিল না। শুধু সুন্দরবনই নয়, দেখা যেত অন্যত্রও। মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিল ভয়ের ও শ্রদ্ধার। উপযুক্ত দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি, বাঘের বিক্রমকেও অস্বীকার করতে পারেননি বাঙালি কবিরা। ফলে আশেপাশের বিভিন্ন জীবজন্তুর পাশাপাশি ফিরে-ফিরে এসেছে বাঘ, মূলত বীরত্বের প্রতীক হিসেবে– যা নিতান্ত স্বাভাবিক।
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার লিঙ্ক - রোববার.ইন
