‘পথের পাঁচালী’ দেখতে এসে, উপন্যাসের লাইন বলে উঠলেন এক বিহারি ভদ্রলোক

 


সুবিমল বসাকের জন্ম ১৯৩৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর, বিহারের পাটনায়। হাংরি আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। মূলত গদ্যকার ও অনুবাদক হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। উল্লেখযোগ্য বই— ছাতামাথা, হাবিজাবি (কবিতা), গেরিলা আক্রোশ, প্রত্নবীজ, এথি, দুরুক্ষী গলি ইত্যাদি। ২০০৭ সালে অনুবাদের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার।

তন্ময় ভট্টাচার্য: আপনার জন্ম পাটনায়। অন্যদিকে, আপনার পরিবারের শিকড় আবার তৎকালীন পূর্ববঙ্গের ঢাকায়। আপনি যখন পাটনায় বেড়ে উঠছেন, ঘরে ও বাইরে কথোপকথনের ভাষাটি কেমন ছিল?

সুবিমল বসাক: বাইরে, বন্ধুবান্ধব বা অন্যদের সঙ্গে বাংলা-হিন্দি মেশানো ভাষাতেই কথা হত। কিংবা কখনও হিন্দি, কখনও বাংলা— যখন যেটায় সুবিধা। পরিবারের লোকেরা পূর্ববঙ্গের ভাষায় কথা বলতেন, আমিও তখন সে-ভাষাতেই।

তন্ময়: আপনাদের পরিবার ঢাকা থেকে পাটনায় কেন গিয়ে উঠল?

সুবিমল: সে তো বাবা গিয়েছিল। ব্যবসার জন্যই এদিক-ওদিক করতে-করতে পাটনায় গিয়ে হাজির হওয়া আরকি।

তন্ময়: আপনি যেখানে থাকতেন, সেখানে কি বাংলাভাষী লোকেরাই বেশি ছিল, না হিন্দিভাষী?

সুবিমল: মিলিয়ে-মিশিয়ে। অনেক হিন্দিভাষী আবার বাংলা বুঝতে-বলতেও পারত। যারা পূর্ণিয়া, দ্বারভাঙ্গা ইত্যাদি জায়গা থেকে এসছিল, তারা তো ভালো বাংলা বলত। অনেকসময় আমি ভুলে গেলে ধরিয়েও দিত। একবার বিদ্যাসাগরের মায়ের নাম ভুলে গিয়েছিলাম, এক বিহারিই— পূর্ণিয়ার ছেলে— মনে করিয়ে দিল নামটা। ভগবতী দেবী। 

সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকার পড়ার লিঙ্ক - বাংলালাইভ.কম


Podcast: Language & Literature ft. Tanmoy Bhattacharjee


Video: Panel Discussion at Aaj Tak

Video: Poetry Recitation