তারাপীঠে বাঙালি বণিকের স্মৃতি-মন্দির, পূজিত হয় বাণিজ্যতরীও

 


তারাপীঠ রোড থেকে মূল মন্দিরের দিকে ঢুকে যাওয়া সরু পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে, চারপাশে চোখে পড়ে অজস্র উপাদান-বৈচিত্র্য। হোটেল, খাবারের দোকান, ছবি, প্যাঁড়া-র পসরা। রয়েছে ছোট-বড় বিভিন্ন আশ্রম ও মন্দিরও। তেমনই এক মন্দির— ধূসর, তালাবন্ধ, আয়তনেও নাতিবৃহৎ— চোখ গিয়েছিল। ফলকে লেখা— ‘তারাপীঠে তারা মায়ের প্রথম মন্দির প্রতিষ্ঠাতা গন্ধবনিক কুলতিলক ধর্ম্মপ্রাণ সওদাগর জয়কৃষ্ণ দত্তের স্মৃতি মন্দির’। ভিতরে, পূজাস্থানে একটি পদ্মের কাঠামোর ওপর বাণিজ্যতরীর অবয়ব।

বাংলার ইতিহাসে, বিশেষত প্রাক-ঔপনিবেশিক যুগের মঙ্গলকাব্যগুলিতে বণিকদের উল্লেখ ও উপস্থিতি যথেষ্টই। চাঁদ সওদাগর (মনসামঙ্গল), ধনপতি ও শ্রীমন্ত সওদাগর (চণ্ডীমঙ্গল) ছাড়াও সদানন্দ (সত্যনারায়ণের পাঁচালি), হৃষীকেশ (শীতলামঙ্গল), মণিময় (পঞ্চাননমঙ্গল) প্রমুখ চরিত্রগুলিকে খুঁজে পাওয়া যায় প্রধান-অপ্রধান কাব্যগুলিতে। অথচ এঁদের কারোর স্মৃতিতেই মন্দির স্থাপিত হয়নি কখনও। এখানেই বিশেষ হয়ে ওঠেন জয়কৃষ্ণ দত্ত ওরফে জয়দত্ত সওদাগর। প্রাচীন কাব্য তথা সাহিত্যে তাঁর উল্লেখ মেলে না, কিন্তু তারাপীঠের কিংবদন্তিতে বণিক জয়দত্তের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। আর সেই সূত্রেই স্মৃতি-মন্দির স্থাপন।

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার লিঙ্ক - বাংলালাইভ.কম











Podcast: Language & Literature ft. Tanmoy Bhattacharjee


Video: Panel Discussion at Aaj Tak

Video: Poetry Recitation