প্রাগাধুনিক বঙ্গীয় হস্তাক্ষর: একটি ঝাঁকিদর্শন
‘হাতের লেখা খারাপ হলে ক্ষতি নেই, লেখার হাত ভালো হওয়াই আসল।’— এ-জাতীয়
সান্ত্বনাদায়ী কথা প্রায়ই ঘোরাফেরা করে আমাদের সাহিত্যজগতে। বলা বাহুল্য, যাঁদের হাতের
লেখা সত্যিই খারাপ, ওপরের বাক্যটি তাঁদের কাছে আশীর্বাদী। অবশ্য পাণ্ডুলিপিতে নজর রাখলে
অনেক বাঘা-বাঘা কবি-সাহিত্যিককেই চিহ্নিত করা যায়, যাঁদের হাতের লেখা সহজপাঠ্য নয়।
প্রাথমিকভাবে, লেখালিখি কিংবা পাণ্ডুলিপি তৈরির ক্ষেত্রে হাতে লেখার চল এই সেদিন পর্যন্তও
বহুল পরিমাণে ছিল। আর, সোয়া-দুশো বছর পিছিয়ে গেলে দেখা যায়, বাংলা মুদ্রিত বই প্রচলিত
হওয়ার আগে হাতে-লেখা পুথিই ছিল একমাত্র সম্বল। আজকের আলোচনা প্রাগাধুনিক সেইসব পুথির
হস্তাক্ষর নিয়েই।
সম্পূর্ণ লেখার লিঙ্ক - বাংলালাইভ.কম
