মৃত্যু আর যা-ই পারুক, তাঁর ঔজ্জ্বল্য কাড়তে পারেনি
দুপুর সোয়া তিনটে। বর্ণালীদি
সহ অন্যরা নিচে গিয়েছেন। থার্ড ফ্লোরের ওয়েটিং লাউঞ্জে একা আমি। ভেতরে একা আরেকজন।
ভেতরের উনি বাইরে আসতে পারবেন না। অগত্যা আমারই যাওয়া, আবার। শুয়ে আছেন ভেন্টিলেশনে।
ঘণ্টাদেড়েক আগেও যে-মনিটরে ফুটে উঠছিল সংখ্যা, প্রবল জিজ্ঞাসাচিহ্ন এখন সেখানে। তাঁর
সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা বোধহয় এটিই। সব প্যারামিটার-মাপজোক-হিসেবনিকেশ মুছে, জিজ্ঞাসাচিহ্ন
ফুটিয়ে রাখা।
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার লিঙ্ক - বঙ্গদর্শন
